সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের জন্য তিন দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ইরান। রাজধানী তেহরান, ধর্মীয় শহর কোম ও মাশহাদে পর্যায়ক্রমে এই অনুষ্ঠান হবে। নির্বিঘ্ন আয়োজন নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে। তেহরানের ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ আমিন তাভাকোলিজাদেহ জানিয়েছেন, রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ শোক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে, যেখানে প্রায় ২ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে।
খামেনিকে দাফন করা হবে তার জন্মস্থান মাশহাদে, ইমাম রেজার মাজার এলাকায়, যেখানে তার বাবাকেও দাফন করা হয়েছিল। যদিও সুনির্দিষ্ট তারিখ জানানো হয়নি, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন দাফন ইসলামি ক্যালেন্ডারের মহররম মাসের শুরুতে হতে পারে, যা জুনের মাঝামাঝি সময়ে পড়বে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। এরপর দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ও ৭ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
মার্চে পরিকল্পিত বিদায় অনুষ্ঠান হামলার কারণে স্থগিত হয়েছিল, তবে এখন সরকার চূড়ান্ত দাফনের প্রস্তুতি পুনরায় শুরু করেছে।