অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখিত ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইশরাককে ডেকে পাঠানো হয়, মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তাঁর পদত্যাগপত্র চাওয়া হয়।
শফিকুল আলম লিখেছেন, এরপর ইশরাক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে যান। ওই কর্মকর্তার সহায়তায় তিনি পদত্যাগপত্রের একটি খসড়া তৈরি করেন। আলমের দাবি, ডেইলি ওয়াদা এসব তথ্য নিশ্চিত করতে পেরেছে। পরে পরিস্থিতির মোড় বদলাতে শুরু করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আলমের মতে, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য জোর চেষ্টা চলছিল বলে মনে হচ্ছিল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দিনভর ব্যস্ত থাকার পর রাত ১১টার দিকে দিনের কাজ শেষ করেন, তবু কেউ কেউ পুনর্বিবেচনার আশা করেছিলেন। ইশরাকের প্রেস কর্মকর্তার জারি করা বিবৃতিকে তিনি ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার শেষ মুহূর্তের চেষ্টা বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।