যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস স্টেট বোর্ড অব এডুকেশন শুক্রবার ৮-৪ ভোটে হাই স্কুলের জন্য নতুন সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যক্রম অনুমোদন করেছে। সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন পাঠ্যক্রমে ইসলামকে ‘উগ্র’ ও ‘বর্বর’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ২০৩০-২০৩১ শিক্ষাবর্ষে নতুন পাঠ্যবই চালুর সঙ্গে এর বাস্তবায়ন শুরু হবে; এতে বাইবেলের নির্বাচিত অংশ পাঠ বাধ্যতামূলক এবং খ্রিষ্টধর্মের ইতিবাচক দিক তুলে ধরার ওপর জোর দেওয়া হবে।
পাঠ্যক্রমে প্রারম্ভিক ইসলামের সামরিক অভিযানকে ‘বর্বর’ বলা হবে, কিন্তু খ্রিষ্টানদের পরিচালিত যুদ্ধের ক্ষেত্রে একই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হবে না। ৯/১১ হামলাকেও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বদলে ‘উগ্র ইসলাম’ দ্বারা অনুপ্রাণিত হিসেবে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এমন একপক্ষীয় উপস্থাপন ইতিহাস শিক্ষাকে পক্ষপাতদুষ্ট করবে। মুসলিম আইনপ্রণেতা সালমান ভোজানি বলেন, শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত ইতিহাস নয়, সঠিক, পূর্ণাঙ্গ ও ন্যায্য ইতিহাস জানা উচিত।
কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস বা সিএআইআর সিদ্ধান্তটির বিরোধিতা করে বলেছে, ধর্মের ইতিহাস পড়ানো যেতে পারে, তবে কোনো একটি ধর্মকে হেয় করে আলাদাভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ সিদ্ধান্ত সমর্থন করে বলেন, টেক্সাসের শিক্ষার্থীদের ইসলামের ‘সত্য’ জানা দরকার। সমালোচকেরা এটিকে গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের সাম্প্রতিক মুসলিম-সম্পর্কিত পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতা হিসেবেও দেখছেন।