আমার দেশ-এ ২৫ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত আহমাদ সাব্বিরের নিবন্ধে সৈয়দ আলী আহসানকে বাংলা সাহিত্যের বহুমাত্রিক প্রতিভা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাহিত্য ও শিক্ষকতাই ছিল তার প্রধান অনুরাগ। স্কুলজীবনে ‘The Rose’ কবিতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে তার মুদ্রিত রচনার শুরু; পরে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ ও সমালোচনায় তিনি পরিচিতি গড়ে তোলেন।
১৯৩৮ সালে ‘আজাদ’ পত্রিকায় তার দুটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। ‘মোহাম্মদী’তে প্রকাশিত হয় ‘মক্কা মুয়াজ্জামার পথে’ ও দীর্ঘ কবিতা ‘চাহার দরবেশ’। ১৯৪৩ সালে পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সংসদের সম্পাদক হিসেবে তিনি বাংলা ভাষাকে সাহিত্যের বাহন করার পক্ষে এবং উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে মত দেন। ১৯৪৭ সালে ঢাকা আসার পর রেডিওতে কাজের সময় তিনি ‘Our Heritage’ ও ‘Steps to English’ রচনা করেন।
ঢাকা ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি সাহিত্য-ইতিহাস, অনুবাদ ও গবেষণায় কাজ করেন। ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’, ‘কবি মধুসূদন’, ‘মধুমালতী’ ও ‘রবীন্দ্রনাথ: কাব্য বিচারের ভূমিকা’ তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে। তিনি শিল্পকলার ইতিহাস পড়িয়েছেন, শিল্পবিষয়ক গ্রন্থ লিখেছেন এবং শেষ জীবনে ‘হে প্রভু আমি উপস্থিত’ ও ‘মহানবী’ রচনা করেন।