শেখ হাসিনার সরকারের পতনের প্রায় দুই বছর পরও বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটে জড়িতদের কেউ শাস্তি পায়নি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়মুক্তি আইন বাতিল করে লুটপাটের চিত্র প্রকাশ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। বিদেশে পাচার হওয়া বিপুল অর্থও ফেরত আসেনি। এখনো বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎ ও ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ বিপুল অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামিট ও ওরিয়নসহ আওয়ামী ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলো অলস বা অকার্যকর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা পেয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, এসব চুক্তি বাতিল করলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, সরকার লুটপাটের অর্থ উদ্ধারে ও ক্যাপাসিটি চার্জের ফাঁদ থেকে মুক্তির আইনি পথ খুঁজছে।
২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সোয়া লাখ কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করা হয়েছে, অথচ অধিকাংশ কেন্দ্র লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী উৎপাদন করেনি। খাতটি এখন ঋণ ও বকেয়ার চাপে রয়েছে এবং বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তুতিও চলছে।