আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজাত শামিম খান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আদালতের কার্যক্রম ও তদন্ত এগিয়ে চলছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের জন্য ছয় মাস সময় নির্ধারিত থাকলেও এরই মধ্যে আইসিসির কয়েকজন কর্মী ব্যাংকিং সমস্যায় পড়েছেন। নতুন প্রধান প্রসিকিউটর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খান যৌথভাবে প্রসিকিউটর কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।
চলতি মাসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন। তিনি আইসিসিকে ‘দুষ্ট আদালত’ আখ্যা দিয়ে আদালতকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করার সতর্কতা দেন। খান জানান, ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর সংশ্লিষ্ট তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। প্রসিকিউটরের আরও কয়েকটি আবেদন আদালতের নির্দেশে গোপন রাখা হয়েছে।
খানের মতে, নিষেধাজ্ঞার পরিধি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ব্যাংকগুলো প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সতর্ক হচ্ছে। প্রভাব মোকাবিলায় আইসিসি মাইক্রোসফটের বদলে ইউরোপীয় বিকল্প সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করেছে এবং ব্যাংকিং ও স্বাস্থ্যবিমা সেবা সচল রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে। তিনি বলেন, কাজের সক্ষমতা বা উৎপাদনশীলতা কমানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলে পূর্ণ প্রভাব আগাম বলা কঠিন।