ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকার মাঝিরা অভিযোগ করেছেন, প্রতিবার যাত্রী পারাপারে ৫০ টাকার ভাড়ার মধ্যে ২০ টাকা করে ঘাট ইজারাদারকে দিতে হয়। এতে প্রতিদিন একজন মাঝিকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওয়াইজঘাট থেকে কেরানীগঞ্জের ব্রিজঘাট পর্যন্ত চলাচলকারী নৌকার মাঝিদের কাছ থেকে এই অর্থ আদায় করছেন ইজারাদার সুমন ভূঁইয়া ও তার সহযোগীরা। মাঝিরা অতিরিক্ত চাঁদার প্রতিবাদ জানাতে বিআইডব্লিউটিএ অফিসে গেলে বিষয়টি সমাধানহীন থাকে।
মাঝিদের দাবি, প্রতিবার ৫০ টাকা আয়ের মধ্যে ২০ টাকা দিতে হওয়ায় তেল ও অন্যান্য খরচ বাদে তাদের হাতে কিছুই থাকে না। ওয়াইজঘাট এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক মাঝি কাজ করেন, যাদের কাছ থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন ভূঁইয়া ২০২৪ সাল থেকে ওয়াইজঘাট তিন ফেরিঘাট ও সদরঘাট লেবার হ্যান্ডেলিং কেন্দ্রের ইজারা নিয়ে নিয়ন্ত্রণ করছেন।
সুমন ভূঁইয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বৈধভাবে ইজারা নিয়েছেন এবং বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদিত টোল আদায় করছেন। বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানান, ইজারার শর্ত অনুযায়ী প্রতিদিন প্রতি ইঞ্জিনচালিত নৌকা থেকে ৫০–১০০ টাকা পর্যন্ত টোল নেওয়ার অনুমতি রয়েছে।