রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। রোববার দুপুরে পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ এ তথ্য জানান। শনিবার রাতে বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস বাড়ির ছাদে মাদক সেবন করছিলেন। গণপতি চক্রবর্তী বাধা দিলে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। পরে স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকেও হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ বলেছে, এরপর তারা বাসায় গোসল করে, খেজুর ও শসা খায়, ইয়াবা সেবন করে এবং শুক্রবার জুমার নামাজের সময় রাস্তা ফাঁকা থাকার সুযোগে স্বর্ণালংকার নিয়ে পালায়।
পুলিশের দাবি, ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে দেখাতে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করা হয় এবং দুটি মোবাইল ফোন পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়। নেওয়া স্বর্ণালংকারের কিছু অংশ উদ্ধার হয়েছে। গণপতির ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেছেন। রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠন সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে।