অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম হয়েছে। এপ্রিল পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৯২৮ দশমিক ১৬ কোটি টাকা, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৩১ হাজার ৪৬১ দশমিক ২৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার ৭৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। তিনি রাজস্ব ঘাটতির ১১টি কারণ উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, ব্যবসায়িক ক্ষতি, শিল্প উৎপাদনে ঘাটতি ও মুনাফা হ্রাস।
অর্থমন্ত্রী জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিপর্যয়, উচ্চ উৎপাদন ব্যয় ও সামষ্টিক অর্থনীতির মন্দাভাব রাজস্ব ঘাটতির মূল কারণ। তবে এনবিআরের অটোমেশন ও কর ফাঁকি রোধে কঠোর অবস্থান ঘাটতি কিছুটা কমাতে সহায়তা করছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট, আমদানি হ্রাস, উচ্চ সুদহার ও টাকার অবমূল্যায়নও রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। পেট্রোলিয়াম ও এলএনজি আমদানিতে কর ছাড়ও রাজস্ব কমিয়েছে।
তিনি আরও জানান, মার্চ পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের ঋণ স্থিতি ৩ লাখ ১৩ হাজার ৬৭০ দশমিক ৪৮ কোটি টাকা এবং মে পর্যন্ত ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ঋণ স্থিতি ৮ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩৭ দশমিক ২৬ কোটি টাকা। জলবায়ু অর্থায়নে বাংলাদেশ তিনটি আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে ৪৮৪ দশমিক ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পেয়েছে।