প্যান-আফ্রিকান মানবাধিকার কর্মী ক্রিস্টাল সিমিওনি বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা সংস্কারে আফ্রিকার নারীদের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও অবৈতনিক পরিচর্যা শ্রমকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, উন্নয়নশীল দেশের ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা নির্ধারণে শুধু সরকারি আয়-ব্যয় নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি ও পরিচর্যা সেবায় প্রভাব এবং নারীদের বাড়তি কাজের চাপও মূল্যায়ন করা উচিত।
সূত্রে বলা হয়েছে, আফ্রিকার দেশগুলোতে মাথাপিছু গড় সুদ পরিশোধ ব্যয় ৭০ ডলার, যেখানে শিক্ষা খাতে ৬০ ডলার এবং স্বাস্থ্য খাতে ৩৯ ডলার ব্যয় হয়। কেনিয়ায় নারীরা পুরুষদের তুলনায় প্রতিদিন গড়ে ৩ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট বেশি অবৈতনিক গৃহস্থালি ও পরিচর্যা কাজে দেন। ২০২১ সালে দেশটিতে ৩০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘণ্টা এমন কাজের মধ্যে নারীদের অংশ ছিল ২৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘণ্টা, যার মূল্য জিডিপির ২৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান।
সিমিওনি আইএমএফের ঋণ টেকসইতা মূল্যায়ন বদল এবং ঋণ পুনর্গঠন কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য, পানি ও পরিচর্যা অবকাঠামোয় ন্যূনতম ব্যয় বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি কর সহযোগিতার কথাও বলেন; আফ্রিকা থেকে বছরে আনুমানিক ৮৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার পুঁজি বাইরে চলে যায়। ২০২৫ সালে মরিশাস শিশুখাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজিতে ভ্যাট শূন্যে নামায়।