‘আমার দেশ’-এ প্রকাশিত আবদুল লতিফ মাসুমের মতামত নিবন্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে এর বয়ান ও বাস্তবতার ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। লেখক জুলাইকে কোটা সংস্কারের দাবি থেকে শুরু হয়ে বৈষম্য, দুঃশাসন, লুটপাট ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় জাগরণে রূপ নেওয়া আন্দোলন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের হিসাবে প্রায় দেড় হাজার শহীদের আত্মদানের বিনিময়ে ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দেড় দশক পর জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে এবং জাতীয়তাবাদী শক্তি রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট পেয়েছে। লেখক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিহিংসার বদলে রাষ্ট্র মেরামতের বার্তা, ৩১ দফার সংস্কার-অঙ্গীকার, গুম-খুনের বিচারের আইনি কাঠামো এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতার প্রশংসা করেছেন।
তবে তিনি দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগ, আমলাতান্ত্রিক জড়তা, জবাবদিহির ঘাটতি, মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের সংকটের কথা উল্লেখ করেছেন। জুলাইকে কোনো একক গোষ্ঠীর সম্পত্তি না বানিয়ে এর যৌথ মালিকানা স্বীকার, আইনের শাসন নিশ্চিত এবং প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে।