দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছরেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। হত্যা মামলার বাদী নওশের রোমান রোববার সকালে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কাছে অভিযোগটি জমা দেন। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে শেরেবাংলা নগর থানার পশ্চিম রাজাবাজারের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাগর ও রুনির লাশ উদ্ধার করা হয়।
সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন। রুনির ভাই নওশের আলম শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। শুরুতে থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে, চার দিন পর তা ডিএমপির গোয়েন্দা শাখায় যায়। তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল ডিবি হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করলে আদালত র্যাবকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত টাস্কফোর্সের অধীনে বর্তমানে পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে। ভবনের নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদকে র্যাব সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি তখন থেকে কারাগারে আছেন। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল কাশিমপুর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।