ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার বাস সুপারভাইজার সাজু লস্কর ও হেলপার মাহবুব আলম মনির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার দুটি পৃথক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। একই ঘটনায় গ্রেপ্তার বাসচালক সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বনানী থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম তালুকদার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন, কারণ সাজু ও মনির স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর সাজুর এবং ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ মনিরের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। সোহেলের সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হলেও ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর থেকে গাজীপুরের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন ইসমাইল। তাঁর সঙ্গে জমি বিক্রির নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও খাদ্যদ্রব্য ছিল। পরে কাকলী থেকে কুড়িলগামী এক্সপ্রেসওয়ের ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মাঝখানে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। টাকা ও মালামাল পাওয়া যায়নি; শরীরে জখম এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কবজিতে সাদা স্কচটেপ ছিল।