ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর টেলিযোগাযোগ ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে বিদেশি বিনিয়োগ সহজ করতে ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং পলিসি, ২০২৬’-এর খসড়া করা হয়েছে। এতে ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক, আইএসপি ও শেয়ার্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব রয়েছে। মোবাইল অপারেটর খাতে বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত রাখার কথা বলা হয়েছে।
দেশি টেলিকম উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, বিদেশি কোম্পানিকে একাধিক স্তরে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হলেও স্থানীয়দের জন্য সুযোগ সীমিত। এতে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হয়ে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে এবং মূল ইন্টারনেট অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের হাতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি আছে বলে তারা মনে করছেন। আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম আইএসপি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ সর্বোচ্চ ৪৯ শতাংশ ও স্থানীয় বিনিয়োগ ৫১ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন।
সীমান্ত স্পর্শ করা আন্তর্জাতিক কানেক্টিভিটি খাতে খসড়ায় বিদেশি মূলধনের সীমা ৪৯ শতাংশ রাখা হয়েছে, যাতে কমপক্ষে ৫১ শতাংশ মালিকানা ও পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশিদের হাতে থাকে। বিশেষ জাতীয় নিরাপত্তা শর্তে মহাকাশ ও স্যাটেলাইটভিত্তিক সেবায় ১০০ শতাংশ বিদেশি মূলধনের সুযোগও প্রস্তাব করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ২০৩৬ সালে ব্যান্ডউইথ চাহিদা ৪৩২ টেরাবিটে পৌঁছাতে পারে।