বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে ১০০ নম্বরের অভিন্ন কি পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর কাঠামো চালু করেছে। রোববার জারি করা নীতিমালায় ৩০টি মূল সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। খেলাপি ঋণ কমানো, শ্রেণিকৃত ও অবলোপন করা ঋণ আদায় এবং বড় ঋণগ্রহীতার কেন্দ্রীভূত ঝুঁকি কমানোর মতো বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক ও আমানতকারীর স্বার্থ সুরক্ষা এবং খাতে সুশাসন ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই এই কাঠামোর উদ্দেশ্য।
মূল্যায়নে সম্পদের মান, মূলধন ও তারল্য এবং সুশাসন ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণে প্রতিটিতে ২৫ শতাংশ নম্বর রাখা হয়েছে। মুনাফার জন্য ১০ শতাংশ এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, গ্রাহকসেবা ও বাজার আচরণের জন্য ১৫ শতাংশ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে। ছয়টি সূচকে নির্ধারিত লক্ষ্যের ৫০ শতাংশের কম অর্জন বা শূন্য স্কোর হলে সংশ্লিষ্ট কেপিআইয়ের সর্বোচ্চ স্কোরের ২৫ শতাংশ মোট নম্বর থেকে কেটে নেওয়া হবে।
পর্ষদকে এমডি বা সিইওর মেয়াদের শুরুতে তিন বছর বা অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে এবং ছয় মাস পরপর মূল্যায়ন করতে হবে। বর্তমান এমডি ও সিইওদের প্রথম মূল্যায়নকাল ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত। চূড়ান্ত স্কোর ৭৫ বা তার বেশি হলে কর্মদক্ষতা অ্যাবাভ অ্যাভারেজ এবং ৬৫-এর কম হলে বিলো অ্যাভারেজ হবে। এই স্কোর বেতন-ভাতা, প্রণোদনা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণে ব্যবহার হবে।