বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়নের নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা সংশোধিত নীতিমালায় সমালোচিত ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ রাখার বিধান বাতিল করে তার পরিবর্তে দুজন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় কমিটির নেতৃত্বেও পরিবর্তন আনা হয়েছে, যেখানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে সভাপতি করা হয়েছে।
চার স্তরের কমিটি কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে নতুন নীতিমালায় সাতটি শর্ত যুক্ত করা হয়েছে, যা বদলি প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আনতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে ন্যূনতম চাকরির মেয়াদ পূর্ণ না হলে বদলির অযোগ্যতা, পুনর্বদলির জন্য তিন বছর অপেক্ষার বাধ্যবাধকতা, শূন্য পদের বিপরীতে বদলি, এবং নারী শিক্ষকদের স্থায়ী বা স্বামীর ঠিকানার নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার।
নীতিমালা অনুযায়ী, কমিটিগুলো প্রতি মাসে অন্তত একবার বৈঠক করে আবেদন যাচাই করবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিবর্তনের ফলে তদবির ও অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে।