শীতের আগমনে গাজায় যুদ্ধের কারণে ঘরহারা ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বহু বাস্তুচ্যুত মানুষ ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে থাকছেন, আর তাঁবুতে থাকা পরিবারগুলো বৃষ্টি, বন্যা ও তীব্র ঠান্ডার মুখোমুখি হচ্ছেন। ছাদ ও দেয়ালের ফাটল দিয়ে বৃষ্টির পানি অস্থায়ী বাসস্থানে ঢুকছে; বাসিন্দারা প্লাস্টিক ও কাপড় দিয়ে ফাঁক বন্ধ করে ঠান্ডা বাতাস ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।
ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে পরিবার নিয়ে থাকা মাহের আওয়াদ খাদের বলেন, সেখানে প্রায়ই পাথর ও কংক্রিটের টুকরো পড়ে। চার-পাঁচ মাস ধরে সেখানে থাকা মাহেরের কোনো কাজ বা আয়ের উৎস নেই এবং তিনি বলেন, কোনো মানবিক সংস্থা তাদের সহায়তা করেনি। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক ভবনের নিচে থাকা তাহের হাজ্জো সন্তানদের সুরক্ষায় আশপাশ শক্ত করার চেষ্টা করছেন, কিন্তু ছাদ ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়ে গেছে।
গত মাসে গাজা সিটির সাবরা এলাকায় আল-সাআদা আবাসিক ভবন ধসে ২১ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। মাঠপর্যায়ের মূল্যায়নে গাজাজুড়ে প্রায় ৩ হাজার ভবনকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে। গাজা সিটির কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক ও জাতিসংঘের সহায়তা চেয়েছেন, আর সিভিল ডিফেন্স ভারী যন্ত্রপাতি ও উদ্ধার সরঞ্জাম প্রবেশের আহ্বান জানিয়েছে।