ইসরাইলে ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের কয়েক দিন আগে অধিকৃত পশ্চিম তীরে পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। প্রায় এক হাজার সামরিক চেকপোস্ট বন্ধ করে রামাল্লায় যাতায়াতের সব পথ বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। হেবরনের একটি সামরিক চেকপোস্টে গুলির হামলার পর নেওয়া এ পদক্ষেপে ফিলিস্তিনিরা ব্যাপক দমন-পীড়ন ও সমষ্টিগত শাস্তির আশঙ্কা করছেন।
হেবরনের হামলার পর ইসরাইলের প্রথম পদক্ষেপগুলোর একটি ছিল শহরের তিনতলা একটি ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া। ভারী যন্ত্র দিয়ে ভবনটি ভাঙার আগে সেখানে থাকা ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে জিনিসপত্র সরিয়ে চলে যেতে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়। হামলায় জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে এবং তাঁদের কয়েকজন স্বজনকে আটক করা হয়েছে।
ইসরাইলি কর্মকর্তারা হেবরনে ‘জেনিন মডেল’ প্রয়োগের কথা বলেছেন, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জেনিনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির ঘটনাকে বোঝায়। সেনাপ্রধান ইয়াল জামির কঠোর পদক্ষেপের কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরিকল্পিত অভিযানকে নজিরবিহীন বলেছেন, আর ইতামার বেন গভির ফিলিস্তিনিদের চলাচলে আরও বিধিনিষেধের হুমকি দিয়েছেন।