যুদ্ধের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য প্রাথমিক যুদ্ধ-সমাপ্তিকারী চুক্তিকে কূটনৈতিক ও কৌশলগত বিজয় হিসেবে তুলে ধরছে ইরান। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করছেন, আলোচনায় তেহরানকে বড় কোনো ছাড় দিতে হয়নি এবং শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকেই আলোচনার পথে আসতে হয়েছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, উভয় পক্ষ নীতিগতভাবে একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে, যার আওতায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও ইরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ নিষ্পত্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে চুক্তিটি এখনো ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির অনুমোদনের অপেক্ষায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই ফলাফলকে নিজেদের দৃঢ়তার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছে। চুক্তিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা আঞ্চলিক মিত্র মিলিশিয়াদের বিষয়ে কোনো শর্ত নেই। নতুন নেতৃত্ব আগের তুলনায় আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করেছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা ও উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রে হামলার মতো পদক্ষেপ নিয়েছে।
তবে দেশটির অর্থনৈতিক সংকট এখনো গভীর, এবং এই সমঝোতা দীর্ঘমেয়াদি শান্তিতে রূপ নেবে নাকি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সীমিত থাকবে, তা এখনো অনিশ্চিত।