ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ১৩ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণের বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে এবারের প্রাদুর্ভাব ইবোলার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হতে পারে। এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৩০০টির বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ডিআর কঙ্গো সরকার ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করলেও ভাইরাসের জিনগত বিশ্লেষণে সংক্রমণ ফেব্রুয়ারিতেই শুরু হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দায়ী বিরল বান্দিবুগিও ধরনটির বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই। ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেন, এভাবে ছড়ালে ২০১৪-১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার মহামারির ১১ হাজারের বেশি মৃত্যুর রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।
দুর্গম ভূখণ্ড, সীমান্তবর্তী সংঘাত, দুর্বল অবকাঠামো ও সম্পদের ঘাটতি আক্রান্তদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো কঠিন করছে। ভুল তথ্যের বিস্তার এবং বেতন না পাওয়ায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ধর্মঘটও প্রতিক্রিয়া কার্যক্রম ধীর করেছে। ডব্লিউএইচওর আবদিরাহমান মাহামুদ বলেন, মাঝারি পূর্বাভাসে ছয় মাসের মধ্যে প্রাদুর্ভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে; পরিস্থিতি খারাপ হলে তা ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হতে পারে।