মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে কূটনৈতিক তৎপরতা, সামরিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক উদ্বেগ একসঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে “গঠনমূলক” আলোচনা হয়েছে, যদিও ইরানি কর্মকর্তারা সরাসরি এমন কোনো আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। পরে হোয়াইট হাউস পরিস্থিতিকে “অস্থির” বলে উল্লেখ করে। সিবিএস নিউজ জানায়, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কিছু প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যা ইরান বর্তমানে পর্যালোচনা করছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এই সপ্তাহে পাকিস্তানে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন, এবং পাকিস্তান আলোচনার আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে। কূটনৈতিক ইঙ্গিতের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সাময়িকভাবে কমলেও পরে তা ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি হয়ে যায়।
এদিকে ইরান ইসরাইলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে তেলআবিবসহ মধ্য ইসরাইলের স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়। ইসরাইল বৈরতে হামলা চালায় এবং দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সংসদে বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গেছে।