কুমিল্লা কারাগারে থাকা যুবদল কর্মী শহিদুল্লাহ রাসেল (৪১) বুধবার বিকেলে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি গত ১০ মে লালমাই উপজেলার শাসনপাড়া গ্রাম থেকে ১০২ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হন এবং পরদিন আদালতের নির্দেশে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, রাসেল নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন এবং অবস্থার অবনতি হলে ১৭ জুন সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকেল ৩টার দিকে তিনি কার্ডিয়াক শকে মারা যান। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মৃত রাসেল লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও স্থানীয় যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তার স্ত্রী হালিমা আক্তার অভিযোগ করেন, তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ইয়াবা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে এবং ভালো থাকতে দেওয়া হয়নি। লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, রাসেল একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন এবং তার গ্রেপ্তার ও মৃত্যুর ঘটনায় কোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র হয়ে থাকলে তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।