আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ২৯ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত এক লেখায় বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনীতিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রবীণ এমপি দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন এবং তাঁর সংসদ সদস্য পদও চলে যেতে পারে। লেখকের মতে, তাদের পত্রিকা তথ্য যাচাই করে খবর প্রকাশ করেছে; ঘটনাটি রাজনীতি ও সমাজজীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের শক্তি আবারও দেখিয়েছে।
লেখায় শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের ভাইরাল টেলিফোন কথোপকথন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামের পরিবার নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন দলের নেতাদের সামাজিক মাধ্যমভীতির উল্লেখ রয়েছে। লেখক দাবি করেন, অতীতে ফেসবুক ও ইউটিউব আন্দোলনের হাতিয়ার ছিল এবং মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে যাওয়ায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎসে পরিণত হয়েছে।
ভারতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের উত্থান ও আন্দোলনের কথাও তিনি তুলে ধরেন। তবে তিনি সতর্ক করেন, জবাবদিহিতার ঘাটতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও সাইবারবুলিং বাড়তে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে স্বৈরাচারী সরকার ভিন্নমত দমাতে বিকৃত তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকিও বেড়েছে বলে তাঁর মন্তব্য।