২০২৪ সালের ২০ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন সুমাইয়া আক্তার। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তার দুই বছর বয়সি কন্যা সোয়াইবার দায়িত্ব কেউ নেয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। সুমাইয়ার মা আসমা বেগম জানান, অভাব-অনটনের সংসারে নাতনির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি গভীর দুশ্চিন্তায় আছেন এবং সরকারের কাছে স্থায়ী সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
আসমা বেগমের দুই ছেলে কারখানায় কাজ করেন, আরেক ছেলে মাদরাসায় পড়ে। সীমিত আয়ে সংসার চালাতে গিয়ে পরিবারটি চরম কষ্টে রয়েছে। শাকিল নামের এক ছেলে খিচুনি রোগে আক্রান্ত। সুমাইয়ার মৃত্যুর পর বিএনপি ও জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী সাময়িক সহায়তা দিলেও কেউ স্থায়ীভাবে দায়িত্ব নেয়নি। মেয়ের মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন আসমা বেগম এবং প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ঘটনার পর সুমাইয়ার ভগ্নিপতি মো. বিল্লাল বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে লাশ উত্তোলন করে পুনরায় তদন্ত করা হয়।