ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬–এর প্রথম ম্যাচে নরওয়ের কাছে ৪–১ গোলে হেরে যাত্রা শুরু করেছে ইরাক। তবে এই ম্যাচটি ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে ২২ বছর বয়সি মিডফিল্ডার জিদান ইকবালের কারণে। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে তিনি বিশ্বের প্রথম পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার ইতিহাস গড়েন। হতাশাজনক পরাজয়ের মধ্যেও ইরাক ও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠেছে। একই ম্যাচে আয়মান হুসেইনের গোলে চার দশক পর বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় ইরাক।
ম্যানচেস্টারে জন্ম নেওয়া জিদানের বাবা পাকিস্তানি ও মা ইরাকি। ইংল্যান্ড, পাকিস্তান ও ইরাক— তিন দেশের যেকোনো একটির হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও তিনি বেছে নিয়েছেন মায়ের দেশ ইরাককে। নিজের মিশ্র ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত জিদান বুটে দুই দেশের পতাকা আঁকেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অ্যাকাডেমি থেকে ফুটবলে হাতেখড়ি নেওয়া এই তরুণ ২০২১ সালে ক্লাবটির সিনিয়র দলে প্রথম ইরাকি খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেক ঘটান এবং ২০২২ সালে ইরাকের জাতীয় দলে যোগ দেন।
নরওয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানের হার সত্ত্বেও জিদানের ঐতিহাসিক অভিষেক ও হুসেইনের গোল ফুটবলপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে।
Related Videos
No data found yet!
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।