মূলধন ঘাটতির কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের চারটি শাখা ও প্রধান নির্বাহী কার্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধের পথে। ইউএইর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৮১ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মূলধন সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া তদারকিতে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্রাউ ইউএইকে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের স্বাক্ষরিত চিঠি অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
মূলধন ঘাটতি পূরণে ঢাকা প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো ৩০০ মিলিয়ন দিরহামকে মূলধন সহায়তা হিসেবে নিতে সম্মতি দেয়নি ইউএইর নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিয়ন্ত্রকের নির্দেশে ওই অর্থ নিউ ইয়র্কে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে জনতা ব্যাংকের নস্ট্রো হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তা ব্যবহার করা যাবে না। নিয়ন্ত্রক বিধিবিধান পরিপালনে ঘাটতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউএই কার্যক্রমের সঙ্গে প্রায় ৭০ হাজার আমানতকারী, ৩,৮০০ ঋণ ও অগ্রিম গ্রহীতা এবং প্রায় ১০ লাখ রেমিট্যান্স প্রেরক যুক্ত। এখান থেকে বছরে আনুমানিক ৮,০০০ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স বাংলাদেশে আসে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ডেবিট লেনদেনে বিধিনিষেধ আরোপের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা তিন বছরের মধ্যে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। গ্রাহকদের হিসাব, আমানত ও রেমিট্যান্স সেবা কীভাবে পরিচালিত হবে, তা এখনো জানা যায়নি।