২০২৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে, একই দিনে ইরানে শুরু হয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় খামেনির মৃত্যু এমন এক যুদ্ধের সূচনা করেছিল, যা ওয়াশিংটন আশা করেছিল মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য তাদের পক্ষে বদলে দেবে। কিন্তু ইরানের প্রতিষ্ঠানগুলো অক্ষুণ্ণ থেকে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
খামেনির জানাজার তারিখ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস একই দিনে পড়লেও এটি ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ধারিত হয়েছে—এমন কোনো সরকারি তথ্য নেই। তবুও এই মিল রাজনৈতিকভাবে প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। ইরান ও ইরাকে লাখো মানুষ এমন এক নেতাকে বিদায় জানাচ্ছেন, যিনি মার্কিন আধিপত্যের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করেছেন।
প্রতিবেদনে ইতিহাসবিদ জন গ্লাবের তত্ত্ব উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, সাম্রাজ্যগুলো সাধারণত সম্প্রসারণ ও পতনের ধাপ অতিক্রম করে, যদিও এটি অনিবার্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র তার ২৫০তম বছরে সামরিক অতিবিস্তার, ঋণ, বৈশ্বিক প্রভাব হ্রাস ও রাজনৈতিক আত্মতুষ্টির মতো চাপের মুখে রয়েছে।