তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে এবং পরিচালন ব্যয় আনুমানিক ২৮০০ কোটি ডলার হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও সৌদি আরবে অন্তত চারটি এএন/টিপিওয়াই-২ রাডার ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে বিভিন্ন রাডার, ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।
মার্কিন হাউস কমিটির এক ডেমোক্রেট সদস্য যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় প্রকাশের জন্য কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসকে চিঠি দিয়েছেন, তবে পেন্টাগন এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে এবং প্রতিদিনের ব্যয় ১ থেকে ২ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে। বিশ্লেষকদের মতে, ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র, আধুনিক যুদ্ধবিমান পরিচালনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক মোতায়েনের কারণে খরচ দ্রুত বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট এই ব্যয় সামলাতে পারলেও ধ্বংসপ্রাপ্ত অস্ত্র পুনরায় উৎপাদন এবং অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ মোকাবিলা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।