দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকটের সঙ্গে লোডশেডিং বেড়ে জনজীবন ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ১৪ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও সার কারখানায় চাহিদামতো গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হলেও তা চাহিদার তুলনায় ৬০ শতাংশ কম। বৃহস্পতিবার চাহিদার তুলনায় ৩,৫০০ মেগাওয়াট কম বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।
গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ১২ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি হলেও অতিরিক্ত গ্যাস দিয়েও বৃহস্পতিবার জাতীয় গ্রিডে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার মেগাওয়াট সরবরাহ সম্ভব হয়েছে। শিল্পে গ্যাস কমিয়ে কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ দেওয়া হলেও লোডশেডিং কমেনি। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সদস্য কারখানার ৭০ শতাংশ থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের অভিযোগ এসেছে। আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি দীর্ঘদিন পুরোপুরি বন্ধ এবং কর্মকর্তাদের হিসাবে মাসে ১০০ কোটি টাকার বেশি লোকসান হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় আবাসিক গ্রাহকরা রান্নার গ্যাস না পেয়ে মাটির চুলা, সিলিন্ডার ও বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করছেন। সুনামগঞ্জের গ্রামীণ এলাকায় দিনে-রাতে ১৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ উঠেছে। মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল মেরামত না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই। সরকার আরও তিনটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে তিনি জানান।