রংপুরের মিঠাপুকুরে ৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলার আসামি মোরছালিন মিয়াকে বিদেশে যেতে সহায়তার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে এসব অভিযোগ জমা দেন ভুক্তভোগী ও এলাকার লোকজন। মোরছালিন ২১ আগস্ট ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরব যান, যদিও মামলায় ৬ সেপ্টেম্বর তাঁর আদালতে হাজিরার তারিখ ছিল।
অভিযোগে বলা হয়, উপপরিচালক দিলারা রহমান ও উপপরিদর্শক মেহেদুল ইসলাম সরদার ঘুষ নিয়ে চার্জশিটে মোরছালিনের নাম আসামিদের কলামের বদলে অব্যাহতির কলামে অন্তর্ভুক্ত করেন। ফলে পুলিশের পিসিপিআরে তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। চার্জশিটে তাঁর জীবিত বাবা আব্দুল লতিফকে মৃত দেখানোর অভিযোগও উঠেছে। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিএসআই এ এফ এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই নম্বর কলামে নাম থাকলে সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসামিকে অব্যাহতি দেখায়।
মেহেদুল ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁরা চার্জশিট দাখিল পর্যন্ত কাজ করেন এবং তদন্তে যা পেয়েছেন, তাই দিয়েছেন। দিলারা রহমানও কোনো অপরাধে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলবেন এবং আদালত পর্যবেক্ষণ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সুজনের এক নেতা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।