বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অভিন্ন অবস্থান গঠনের লক্ষ্যে জি-৭ শিল্পোন্নত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী সোমবার প্যারিসে দুই দিনের বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন। ফ্রান্স বর্তমানে জি-৭-এর সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ফলে সৃষ্ট বাণিজ্যবিরোধের কারণে সংলাপ বজায় রাখা ফ্রান্সের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চীনের বিরল খনিজের ওপর নির্ভরতা কমানো, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ, বৈঠকের অন্যতম অগ্রাধিকার।
ফরাসি অর্থমন্ত্রী রোলান্ড লেস্কুর বলেন, গত দশকের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধারা টেকসই নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি, ইউরোপের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ঘাটতি এবং চীনের নিম্নমুখী ভোক্তা চাহিদা ও অতিরিক্ত উৎপাদনক্ষমতাকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা কার্যকর হতে পারে, তবে আলোচনা সহজ নয়, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে। ট্রাম্পের বাণিজ্যকেন্দ্রিক কূটনীতি জি-৭ নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
জার্মান অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইল বলেন, ইরান যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা করার জন্য জি-৭ একটি উপযুক্ত কাঠামো। তিনি অঞ্চলকে স্থিতিশীল করা ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। মঙ্গলবার দুপুরে চূড়ান্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।