একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে মিথ্যা তথ্য ও গুজব গুরুতর সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর দ্রুত পৌঁছালেও সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য করা কঠিন হয়ে উঠছে। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, টিকটক ও হোয়াটসঅ্যাপকে গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গুজবের জেরে ছেলেধরা সন্দেহে নিরীহ মানুষ গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। ২০১৯ সালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা গুজবে তাসলিমা বেগম রেনু নামে এক মাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে। ধর্মীয় উসকানিমূলক গুজব সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টি করেছে এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক ভুল তথ্য মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলেছে বলেও লেখায় উল্লেখ করা হয়।
লেখক শক্তিশালী তথ্য যাচাই ব্যবস্থা, স্কুল-কলেজে মিডিয়া সচেতনতা শিক্ষা এবং অভিভাবক ও প্রবীণদের প্রশিক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন। গণমাধ্যমে আলাদা তথ্য যাচাইকারী দল রাখার পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর মিথ্যা তথ্য শনাক্ত ও অপসারণে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন বলে মত দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের উৎস যাচাই করে তথ্য শেয়ার এবং রাষ্ট্রের দ্রুত, নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।