মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ভেঙে পড়ায় বিশ্বজুড়ে তীব্র তেল সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ১৩ মার্চ রুশ তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা ৩০ দিনের জন্য শিথিল করে, যাতে সমুদ্রে আটকে থাকা তেল বাজারে আসতে পারে। এর ফলে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো রুশ তেল মজুতের প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
ভারত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রুশ তেল কেনা দ্বিগুণ বাড়িয়ে প্রতিদিন ১৮ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করেছে, যদিও এটি মধ্যপ্রাচ্য থেকে পাওয়া ২৬ লাখ ব্যারেলের ঘাটতি পূরণ করতে পারবে না। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সিনোপেক ও পেট্রোচায়না রুশ তেল কেনা পুনরায় শুরু করতে সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোও এখন রুশ তেল কেনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ছাড় সাময়িক হওয়ায় ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। রুশ তেল কিছুটা চাপ কমালেও মধ্যপ্রাচ্যের ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়, ফলে এশিয়ায় প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে।