প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮৩ প্রার্থীর মধ্যে প্রায় ২৫ জন রোববার সকাল ১০টা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেছেন। কাফনের কাপড় পরে কর্মসূচিতে বসা প্রার্থীরা দ্রুত সবার নামে নিয়োগপত্র ইস্যুর দাবি জানান। সন্ধ্যা পৌনে ছয়টা পর্যন্ত তারা অনশনে ছিলেন এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তা তারা জানেন না; এতে তারা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। শনিবার বিকাল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে তারা অবিলম্বে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানান এবং অনশনের ঘোষণা দেন। তাদের বক্তব্য, প্রাথমিক শিক্ষায় যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ, স্বচ্ছতা, ন্যায়সংগত আচরণ ও প্রার্থীদের অধিকার সুরক্ষা জরুরি।
৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশ করা হয়। কাগজপত্র জমা দেওয়া ১৩ হাজার ৮৩১ জনের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ের পরও ৮৩ জন নিয়োগপত্র পাননি; তাদের মধ্যে ৩১ জনকে নিয়ে উচ্চ আদালতে রিটের প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়ার কারণে নতুন সহকারী শিক্ষকদের পদায়নে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।