বাংলাদেশ ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় কোভিড-১৯ টিকা কিনতে অগ্রিম দেওয়া ১,২০০ কোটি টাকা এখনো ফেরত পায়নি বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দুই দফায় অর্থ পরিশোধ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী ৩০ কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও ভারত প্রথম চালানে ২০ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড দেওয়ার পর নিজ দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।
করোনাকালীন টিকা ও সংশ্লিষ্ট খাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ও ব্যয়ের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদক বলেছে, বিভিন্ন দপ্তর, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নথি, সিদ্ধান্তপত্র, আমদানি তথ্য ও আর্থিক বিবরণী চেয়ে একাধিকবার চিঠি দিলেও পর্যাপ্ত সাড়া পাওয়া যায়নি। টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে এ খাতের ব্যয় ১৮ হাজার কোটি টাকার বেশি হওয়ার কথা নয় বলে উল্লেখ করে অন্তত ২২ হাজার কোটি টাকার অপচয় ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।
বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের ১৭ মার্চ ২০২৫ সালের অভিযোগের পর দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, বিষয়টি এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ বলেছেন, অনুসন্ধানে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে ও হবে।