ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমেই হতাশ ও ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ৬ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, সর্বোচ্চ চাপ এবং আলোচনার প্রস্তাব—সব কৌশল প্রয়োগ করেও তিনি কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি। গত সোমবার তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে আচরণে তেহরানকে ‘অবিশ্বাস্য রকমের কপটতা’র অভিযোগ করেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা হরমুজ প্রণালি ঘিরে যেকোনো সময় সমঝোতার আশা প্রকাশ করলেও, ওই জলপথে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে টোল আদায়ের অবস্থানে ইরান অনড় রয়েছে। ট্রাম্প এ অবস্থানকে অগ্রহণযোগ্য বলেছেন। ইরানবিষয়ক গবেষক ও সাবেক সিআইএ বিশ্লেষক কেনেথ পোলাকের মতে, ট্রাম্প সম্ভবত ইরানি নেতৃত্বকে সবচেয়ে কম বোঝা মার্কিন প্রেসিডেন্টদের একজন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থবহ সমঝোতা না হলে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরোধী ভোটাররা হতাশ হতে পারেন এবং হরমুজে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত থাকলে তেলের দাম বাড়তে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিমান হামলায় নিহত হওয়ার পর ট্রাম্প সরকার উৎখাতের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি; ইরানের বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামো অটুট রয়েছে।