২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, পুরো আসরজুড়ে কঠোর নজরদারির পরও কোনো ম্যাচে সন্দেহজনক বেটিং বা ম্যাচ পাতানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘের ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম দপ্তর (UNODC) এবং আন্তর্জাতিক বেটিং পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং কোনো কারসাজির প্রমাণ পায়নি।
তবে বিশ্বকাপজুড়ে রেফারিং নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩–২ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন রেফারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয় এবং তাদের বহিষ্কারের দাবি জানায়। মিশরের কোচ হোসাম হাসানও ম্যাচ চলাকালে বিতর্কিত অঙ্গভঙ্গি করেন এবং পরে অভিযোগ তোলেন যে ফিফা নাকি মেসিকে টুর্নামেন্টে রাখতে চেয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়।
ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কোলিনা এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেন এবং কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সমালোচনা করেন। সিনিয়র ইন্টিগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ জানান, ভবিষ্যতেও বড় টুর্নামেন্টে একই ধরনের নজরদারি ব্যবস্থা চালু থাকবে।