তিব্বতে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পের তিন মিনিট পর নেপালের ভোতেকোশী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার খবর পাওয়া যায়। বুধবার পার্লামেন্টে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, সময়ের এই সম্পর্ক আরও যাচাই প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল গোসাইনকুণ্ডের প্রায় ৪৭ কিলোমিটার উত্তরে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে রাসুওয়াগাধি সীমান্ত পয়েন্টের প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে হিমবাহ ও পাথরধসের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ধ্বংসাবশেষসহ পানির ঢল লেন্দে নদীতে প্রবেশ করে পরে তিমুরে হয়ে ত্রিশূলী নদীতে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নেপাল ও চীনের কর্তৃপক্ষ এখনো বন্যার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি।
বন্যায় সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত এবং কয়েকজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার মানসারোবর ও আলি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতও সম্ভাব্য কারণ হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। নেপাল সরকার ভোতেকোশী, ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক করে আরও বন্যার আশঙ্কায় নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলেছে।