২০২৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘আমার দেশ’-এ প্রকাশিত আরিফ বিন নজরুলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের অনলাইন কার্যকলাপের মাধ্যমে আমরা অজান্তেই ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট রেখে যাচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট, অনলাইন কেনাকাটা বা সার্চ—সবকিছুই ইন্টারনেটে সংরক্ষিত থাকে। প্রতিবেদনে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় ফুটপ্রিন্টের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। সক্রিয় ফুটপ্রিন্ট তৈরি হয় সচেতনভাবে কিছু শেয়ার করার মাধ্যমে, আর নিষ্ক্রিয় ফুটপ্রিন্ট তৈরি হয় কুকিজ, আইপি ঠিকানা বা ব্রাউজিং ইতিহাসের মাধ্যমে। লেখক উল্লেখ করেছেন, ইন্টারনেট খুব কমই কিছু ভুলে যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান ডিজিটাল অর্থনীতিতে তথ্যই শক্তি। বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞাপন ও কনটেন্ট সাজায়। কিন্তু এই তথ্য ভুল হাতে পড়লে পরিচয় চুরি, প্রতারণা বা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়। অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর আচরণের ভিত্তিতে প্রোফাইল তৈরি করে, যা ভবিষ্যতে তাদের অনলাইন অভিজ্ঞতাকে সীমাবদ্ধ করতে পারে।
শেষাংশে বলা হয়েছে, ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব নয়, তবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সচেতনতা, প্রাইভেসি সেটিংস পর্যালোচনা, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও সতর্ক শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো সম্ভব।