জাতীয় শিক্ষক ফোরামের নেতারা বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের পথে শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য এবং সরকারের সদিচ্ছার অভাব প্রধান বাধা। শনিবার ঢাকার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ: প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম অনতিবিলম্বে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের ঘোষণা দাবি করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার মান বাড়াতে জাতীয়করণ প্রয়োজন এবং শিক্ষকদের উন্নয়ন হলে দেশ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাবে। তিনি শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশনসহ অন্যান্য প্রাপ্য দ্রুত পরিশোধের দাবিও জানান।
বক্তারা বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ, জাতীয়করণ হলে কিছু কর্মকর্তার অনিয়ম ও ঘুষের সুযোগ কমবে বলে তারা প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত করছেন। সভায় নৈশ প্রহরীদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও ছুটির নীতিমালা প্রণয়নের দাবিও জানানো হয়। এবিএম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক আব্দুস সবুর।