হরমুজ প্রণালিতে গত বুধবার মার্কিন বিমান হামলার পর ইরান নীতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গভীর সংকটে পড়েছেন। ওই হামলার সূত্রে ট্রাম্প এখন দুই কঠিন বিকল্পের মুখে—যুদ্ধ আরও বাড়ানো, যার মানবিক ও রাজনৈতিক মূল্য হতে পারে বিশাল, অথবা তেহরানের সঙ্গে ব্যর্থ সমঝোতা স্মারক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে স্বাক্ষরিত এই স্মারকটি ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের তৈরি, যা অস্পষ্টতা ও কঠোর শর্তের অভাবে ইতোমধ্যেই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে যাওয়ার পথে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা “শেষ” এবং ইরানকে “পাগল” বলে আখ্যা দেন, যদিও আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বাড়ালে এর খরচ হবে বিপুল, আর অর্থনৈতিক চাপই হতে পারে তুলনামূলক নিরাপদ পথ। অভ্যন্তরীণভাবে প্রশাসনের পরামর্শহীন সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়ায় সমালোচনা উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ বাড়ানো বা সরে দাঁড়ানো—দুই পথেই যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া হুমকি ও ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তির দাবি পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।