চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত মো. কামাল উদ্দিন ২৫ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে উপস্থিত থাকার কারণে আলোচনায় আসেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার করমর্দনের ছবি প্রকাশের পর তাঁর আমন্ত্রণ ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রতিবেদনে তাঁকে চট্টগ্রামে ‘বেকারি কামাল’ নামেও পরিচিত বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনের হাতে আসা নথি অনুযায়ী, কামাল উদ্দিন নিজেকে গণদলের ভাইস চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যাওয়ার আবেদন করেন। নথিতে ঢাকার একটি ঠিকানা ব্যবহার করা হয় এবং ঢাকা থেকে যাচাইয়ের পর তাঁকে আমন্ত্রণ দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, এই ঠিকানা ঢাকার হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে যাচাই হয়নি। ডিএমপি জানায়, তারা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল, অতিথি নির্বাচন বা আমন্ত্রণ তাদের এখতিয়ার নয়।
নাম প্রকাশ না করা নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনা প্রকাশের পর অভ্যন্তরীণভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, স্থানীয় মতামত নেওয়া হলে পরিচিত আওয়ামী লীগ পদধারী বা সুবিধাভোগীর উপস্থিতি ঠেকানো সম্ভব হতো। কামাল উদ্দিন জানান, তিনি একটি বিবৃতি পাঠাবেন; তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত আওয়ামী লীগ-সমর্থিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের বিষয় তিনি অস্বীকার করেননি।