জুলাইয়ে ভারতে জেনারেশন জেডের সপ্তাহব্যাপী প্রবল বিক্ষোভ ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতির চেয়ে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সুযোগ বৃদ্ধির দাবিকে সামনে এনেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহুরে ও শিক্ষিত তরুণদের নেতৃত্বাধীন এই আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক অবস্থানকে গত এক দশকের তুলনায় দুর্বল দেখিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে বিহার ও মধ্যপ্রদেশে বিজেপি দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা উপনির্বাচনে হেরেছে, যেখানে একটি আসন প্রায় তিন দশক ধরে দলটির দখলে ছিল।
প্রতিবেদনটি বর্তমান আন্দোলনকে কৃষক আন্দোলন ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী বিক্ষোভ থেকে ভিন্ন হিসেবে তুলে ধরেছে। আগে বিজেপির সমর্থকভিত্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং হিন্দুত্ব প্রকল্পের সামাজিক অগ্রদূত বলে বিবেচিত তরুণদের মধ্য থেকেই এবার অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ফলে প্রচলিত রাজনৈতিক বয়ান দিয়ে আন্দোলনকে উপেক্ষা বা দমন করা সরকারের জন্য কঠিন হতে পারে বলে এতে মন্তব্য করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অর্থনীতি ২০১৪ সালের প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বর্তমানে প্রায় চার ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছালেও কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তার বিস্তার সীমিত। ৪৫ কোটির বেশি মানুষ অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে কাজ করেন এবং বেকারদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষিত তরুণ। লেখাটি বলছে, প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও তরুণদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ব্যবধান তাদের হতাশা বাড়াচ্ছে।