শনিবার গাজীপুরের কাপাসিয়ার দেওনা দাওয়াতুল হক মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে কওমি সনদের দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। পরিষদের সভাপতি ও দেওনার পীর অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, কওমি শিক্ষা একটি বিশেষায়িত শিক্ষা ব্যবস্থা, যা আধুনিকায়নের নামে সনদনির্ভর শিক্ষায় রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি উল্লেখ করেন, কওমি শিক্ষিত হাফেজ-আলেমদের বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের সুযোগ ও রেমিট্যান্সে অবদান রয়েছে, তাই এর স্বকীয়তা ও মর্যাদা রক্ষা জরুরি।
বক্তারা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কওমি শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দিলে ধর্মীয় শিক্ষার মান উন্নত হবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তারা সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ সংশোধন, বর্তমান ওয়াকফ আইনের ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নং ধারা বাতিল এবং শরীয়া আদালত প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। এছাড়া নবী-রাসূল ও সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন আলেম-ওলামা অংশ নেন এবং কওমি শিক্ষার স্বকীয়তা ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষার পক্ষে মত প্রকাশ করেন।