নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মেসার্স আলম ফিলিং সেন্টারে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদের সময় কেমিস্ট আব্দুল কাদের ও গ্রাহক মাহবুবুর রহমান আহত হয়েছেন। রোববার রাত প্রায় ২টায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত মাহবুবুর রহমানের বয়স ২৭ বছর এবং তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গ্রাহকদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকটের প্রতিবাদ জানাতে গেলে পাম্পের মালিক শাহ আলম লোহার রড দিয়ে হামলা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের নতুন তেলের দাম ঘোষণার পর স্টেশনটিতে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি পড়ে। নতুন দাম রাত ১২টা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও রাত সাড়ে ১০টা থেকেই পাম্প বন্ধ করে কর্মচারীরা চলে যান বলে অভিযোগ। মূল ফিডারে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও পাম্পের ডিজিটাল সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছিল বলেও গ্রাহকদের দাবি। তাঁদের অভিযোগ, বাড়তি দামে তেল বিক্রির জন্য কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দিবাকর অধিকারী জানান, তদন্তের স্বার্থে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফিলিং সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। শাহ আলম হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যুৎ-সংযোগে ত্রুটির কারণে বিক্রি বন্ধ ছিল এবং কর্মচারীদের ওপর আগে হামলা হয়েছে বলে দাবি করেন।