সাড়ে তিন মাসের ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে ইসরাইলের কোনো ভূমিকা না থাকায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এই চুক্তির ফলে ইরান তার শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালির ওপর আরও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ একে ৭ অক্টোবরের পর নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
চুক্তিটি ইসরাইলের মধ্যপন্থি ও কট্টর ডানপন্থি উভয় পক্ষের বিরোধিতার মুখে পড়েছে। আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট একে ব্যর্থ সরকারের পরিণতি বলেছেন। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচও চুক্তিটিকে ‘বাজে’ বলে অভিহিত করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এখন তার রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করেছে।
লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান যুদ্ধ, লেবানন সংকট ও ৭ অক্টোবরের হামলার পর নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে।