২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বাজারে আসার পর নাইকির নতুন ‘মাইন্ড’ জুতা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্পোর্টসওয়্যার জায়ান্ট কোম্পানিটি একে তাদের প্রথম স্নায়ুবিজ্ঞানভিত্তিক জুতা হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা ব্যায়ামের সময় নয় বরং খেলার আগে ও পরে মানসিক প্রশান্তি আনতে তৈরি। মিউল ও স্নিকার—দুটি স্টাইলে তৈরি এই জুতার দাম যথাক্রমে ৯৫ ও ১৪৫ ডলার। বাজারে আসার পর দ্রুতই স্টক শেষ হয়ে যায় এবং ২০ লাখেরও বেশি মানুষ রি-স্টকের জন্য সাইন-আপ করেন। পুনর্বিক্রয় প্ল্যাটফর্ম স্টকএক্সে ‘লাইট স্মোক গ্রে’ মিউল সংস্করণটি ২০১৬ সালের পর থেকে নাইকির সবচেয়ে জনপ্রিয় জুতা হয়ে উঠেছে।
নাইকি স্পোর্ট রিসার্চ ল্যাব জানিয়েছে, প্রতিটি জুতায় ২২টি ফোম নোড রয়েছে যা পায়ের স্নায়ু উদ্দীপিত করে মস্তিষ্কের সেন্সরিমোটর নেটওয়ার্ক সক্রিয় করে এবং ডিফল্ট মোড নেটওয়ার্ককে শান্ত করে। এর ফলে ব্যবহারকারী ‘শিথিল সতর্কতা’ অবস্থায় পৌঁছাতে পারেন। তবে এই দাবির পেছনে কোনো পিয়ার-রিভিউড গবেষণা এখনো প্রকাশিত হয়নি।
যুক্তরাজ্যের লফবরো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. ইশারা ধর্মসেনা এই ধারণাকে বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেন এবং একে ঐতিহ্যবাহী আয়ুর্বেদিক পা ম্যাসাজের আধুনিক রূপ হিসেবে দেখেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘ ব্যবহারে কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।