কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত বিতর্কিত কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালকদের অতীত কর্মকাণ্ডের আমলনামা পর্যালোচনা শুরু হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। এ উদ্যোগের পর মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে বদলি ও অপসারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের দাবি, ১৭টি সংস্থা ও অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদ এবং প্রকল্পে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত কর্মকর্তারা এখনো রয়েছেন।
দেশে পর্যাপ্ত সার থাকা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ ওঠার পর মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থান নেয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন কর্মকর্তাকে ওএসডি ও বদলি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একজন নীতিনির্ধারক বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পরই এই পর্যালোচনা শুরু হওয়া উচিত ছিল। তবে কৃষি সচিব সেলিম খান বলেন, বিষয়টি তিনি প্রতিবেদকের কাছ থেকেই প্রথম শুনেছেন এবং খোঁজ নেবেন।
আইএমইডির পর্যালোচনায় বিএডিসির চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সেচ উন্নয়ন প্রকল্পে একদিনে ৪২০টি ই-জিপি দরপত্র আহ্বানের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকল্পটির সাবেক পিডি নুরুল ইসলামকে ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। প্রায় এক ডজন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের পিডিদের কর্মকাণ্ডও পর্যালোচনা হচ্ছে এবং উন্নয়নকাজ ব্যাহত না করতে দক্ষ পেশাদার কর্মকর্তাদের নতুন পিডি হিসেবে বাছাই ও পদায়নের প্রক্রিয়া চলছে।