ভারতের পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, এতে লালমনিরহাটের তিস্তাপাড়ের মানুষ উদ্বেগে আছেন। আদিতমারীর কৃষকরা জানান, ভারতে বন্যা দেখা দিলেই গজলডোবা ব্যারাজ দিয়ে অতিরিক্ত পানি বাংলাদেশে ছেড়ে দেওয়া হয়, ফলে তিস্তা অববাহিকার লাখো মানুষ আতঙ্কে দিন কাটান।
স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, রোববার দুপুরে ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল, তবে পানি ওঠানামা করছে।
পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খোলা রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।