আগামী মাসের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরান যুদ্ধ বড় নির্বাচনী ইস্যু হয়ে উঠেছে। জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ছে, আর ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনপুষ্ট প্রার্থীদের চাপে ফেলতে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান তুলে ধরছেন। বুধবার মিশিগানের সিনেট বিতর্কে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদ রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে যুদ্ধ নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন এবং প্রেসিডেন্টের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার আহ্বান জানান।
গত মাসে প্রকাশিত ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের ৬০ শতাংশ ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার বিরোধিতা করেছেন। জরিপে অংশ নেওয়া ৮১ শতাংশ বলেছেন, যুদ্ধের কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর পর তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করে, ফলে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ে। এএএ বলেছে, যুদ্ধের আগে প্রতি গ্যালন পেট্রলের গড় দাম ৩ ডলারের কম থাকলেও গত বৃহস্পতিবার তা ৪ ডলার ২৭ সেন্ট ছাড়িয়েছে।
রজার্স ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকাতে যুদ্ধ প্রয়োজন ছিল বলে দাবি করলেও দ্রুত সংঘাত শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্য কয়েকজন রিপাবলিকান প্রার্থীও দ্রুত সমাপ্তির কথা বলেছেন। ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার পূর্ণমাত্রার হামলার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং যুদ্ধকে ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন।